যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচনের ভোটগ্রহণ আজ মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এ নির্বাচনের মাধ্যমে কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদ ও উচ্চকক্ষ সিনেটের নিয়ন্ত্রণ নির্ধারণ করবেন ভোটাররা।
নির্বাচনের আগে বিভিন্ন জনমত জরিপে রিপাবলিকানদের তুলনায় ডেমোক্র্যাটদের এগিয়ে থাকার চিত্র উঠে এসেছে। তবে কয়েকটি অঙ্গরাজ্যে দুই দলের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস পাওয়া যাচ্ছে।
এবার প্রতিনিধি পরিষদের ৪৩৫টি আসনের সবগুলোতে নির্বাচন হচ্ছে। পাশাপাশি সিনেটের নিয়মিত ৩৩টি আসনে ভোট নেওয়া হবে। ফ্লোরিডা ও ওহাইওতে শূন্য হওয়া আরও দুটি আসনেও উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। দেশটিতে প্রায় ২১ কোটি নিবন্ধিত ভোটার রয়েছেন। এরই মধ্যে সাড়ে পাঁচ কোটির বেশি ভোটার আগাম ভোট দিয়েছেন।
এ নির্বাচনের ফলের ওপর নির্ভর করছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মেয়াদের বাকি দুই বছর কেমন কাটবে। বিশেষ করে কংগ্রেসের দুই কক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখতে রিপাবলিকানদের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে।
নির্বাচনের শেষ মুহূর্তে প্রচারে ব্যস্ত সময় কাটিয়েছেন দুই দলের প্রার্থীরা। রিপাবলিকানদের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত আইওয়া ও কানসাসে জনসভা করেছেন ট্রাম্প। এসব সমাবেশে ডেমোক্র্যাটদের কঠোর সমালোচনা করে তিনি ভোটারদের রিপাবলিকানদের পক্ষে সমর্থন দেওয়ার আহ্বান জানান।
ট্রাম্প অভিযোগ করেন, ডেমোক্র্যাটরা সীমান্ত নিরাপত্তা শিথিল করতে এবং বিপুলসংখ্যক অভিবাসনপ্রত্যাশীকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের সুযোগ দিতে চান। একই সঙ্গে আগামী দুই বছর কংগ্রেসের উভয় কক্ষে রিপাবলিকানদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখতে ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
অন্যদিকে ডেমোক্র্যাট প্রার্থীরাও দোদুল্যমান ভোটারদের সমর্থন পেতে শেষ মুহূর্তে বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে প্রচার চালিয়েছেন। মিশিগানের সিনেট নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী এল সাইদকে ঘিরেও আলোচনা তৈরি হয়েছে।
শেষ মুহূর্তে ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতা হ্যালি স্টিভেন্স রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক রজার্সকে সমর্থন জানান। তবে এল সাইদ বলেছেন, তিনি ভোটারদের জীবনযাত্রার ব্যয় ও মানোন্নয়নের বিষয়েই গুরুত্ব দিচ্ছেন।
