• আজ- লোড হচ্ছে...
শিরোনাম >>
মার্চে রিফাইনারি চালুর পরিকল্পনা, অথচ নেই সরকারি অনুমোদন ডিসেম্বরের মধ্যে পোশাক শ্রমিকদের নতুন বেতন কাঠামো নির্ধারণ পারমাণবিক হামলা থেকে বাঁচতে করণীয় শেখাচ্ছে ইরান শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা বন্ধের আহ্বান ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস, দেশজুড়ে নানা কর্মসূচি সিনেটের নিয়ন্ত্রণ ডেমোক্র্যাটদের হাতে ৭ নভেম্বর থেকে ঢাকা-দাম্মাম রুটে বিমানের ফ্লাইট চালু স্কুল ছাত্রদের মাদক,বাল্যবিবাহ, ইভটিজিং দমনে সমাবেশ অনুষ্টিত হাসপাতালের ভবিষ্যৎ প্রতিযোগিতা: গুগল থেকে AI-উত্তরের নতুন বাস্তবতা ফাইনালে এআইইউবিকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন ড্যাফোডিল

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে জেলে পাঠানো হবে : রাহুল গান্ধী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক / ১০ বার দেখেছে
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ২১:৩৫  |  আপডেট: ১ নভেম্বর ২০২৬, ২১:৩৫

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারকে পদ থেকে সরিয়ে শেষ পর্যন্ত কারাগারে পাঠানো হবে বলে মন্তব্য করেছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। তার অভিযোগ, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ও ভোটার তালিকায় কারসাজি করে ভোট চুরি করা হয়েছে। এ কারণে ওই নির্বাচনকে অবৈধ বলেও দাবি করেছেন তিনি।

রোববার (১ নভেম্বর) দিল্লির রামলীলা ময়দানে বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’র সমাবেশে নির্বাচনী তালিকায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে আয়োজিত এক বিশাল প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অংশ নিতে সোনিয়া গান্ধী, রাহুল গান্ধী, অখিলেশ যাদব, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, এম এ বেবি এবং তেজস্বী যাদবসহ বিরোধী দলগুলোর এক ডজন নেতা দিল্লির প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত জনাকীর্ণ রামলীলা ময়দানে সমবেত হয়েছেন।

একই সময়ে, ক্ষমতাসীন বিজেপি নেতারাও জাতীয় রাজধানীতে পাল্টা মিছিল করছেন এবং কংগ্রেসকে আক্রমণ করতে ১৯৮৪ সালের শিখ-বিরোধী দাঙ্গার প্রসঙ্গ টেনে আনছেন।

এরই মধ্যে, মধ্য দিল্লির ব্যস্ত কেনাকাটার এলাকায় তীব্র যানজটের কারণে উৎসবের মৌসুমে ব্যবসায়ীদের আয় মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

নির্বাচনী তালিকার ‘বিশেষ নিবিড় সংশোধন’ বা এসআইআর প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’ -এর ‘চলো দিল্লি’ কর্মসূচির মাধ্যমে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবি করা হয়েছে। বিরোধীদের এই প্রতিবাদস্থলটি একটি জনাকীর্ণ এলাকায় অবস্থিত, যেখানে অনেক পাইকারি ব্যবসায়ীর দোকান রয়েছে; তারা এখন নিজেদের ব্যবসা নিয়ে উদ্বিগ্ন।

মাঠপর্যায়ে বিভিন্ন দলের কর্মীদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। কংগ্রেস উত্তর প্রদেশ, উত্তরাখণ্ড এবং হরিয়ানা থেকে তাদের কর্মীদের নিয়ে এসেছে; এছাড়া সমাজবাদী পার্টি এবং আরজেডি-এর নেতারাও তাদের দলীয় কর্মীদের নিয়ে এসেছেন। তবে এই প্রতিবাদ কর্মসূচির মূল ভিত্তি হিসেবে বামপন্থী কর্মীদের উপস্থিতিই সবচেয়ে বেশি।

সমাবেশে হিন্দিতে ভাষণ দেওয়ার সময় রাহুল গান্ধী বলেন, “ভোটের এই চুরি কোনো সাধারণ চুরি নয়। এটি ভারতের প্রতিটি কণ্ঠস্বরের চুরি। একেই বলে দেশদ্রোহিতা।”

গত লোকসভা নির্বাচনকে ‘বেআইনি’ আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, “জ্ঞানেশ কুমার না থাকলে নরেন্দ্র মোদি প্রধানমন্ত্রী হতে পারতেন না, আর অমিত শাহও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হতে পারতেন না।”

রাহুল গান্ধী বলেন, “২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে ভোট চুরি হয়েছে। ইভিএম-এর মাধ্যমে এবং ভোটার তালিকায় কারচুপি করে ভোট চুরি করা হয়েছে্ ২০২৪ সালের নির্বাচনের পর ১৫ শতাংশ ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। ২০২৪ সালে আমাদের (ইন্ডিয়া জোট) এবং (বিজেপি নেতৃত্বাধীন) এনডিএ-র মধ্যে ভোটের ব্যবধান ছিল ৩ শতাংশ। ২০২৪ সালের নির্বাচন ছিল অবৈধ।”

২০২০-২১ সালের করোনা মহামারির প্রভাব নিয়ে তিনি অতীতে যা বলেছিলেন, তার উল্লেখ করে তিনি দাবি করেন, “আমি যা বলি, তা তো শেষ পর্যন্ত সত্যি হয়, তাই না?”

প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে জেলে যেতে হবে উল্লেখ করে রাহুল বলেন, “আর আমি ভারতের প্রতিটি নাগরিক ও প্রতিটি তরুণকে বলছি: জ্ঞানেশ কুমারকে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হবে। জ্ঞানেশ কুমারকে জেলে যেতে হবে।”

রাহুলের আগে বক্তব্য দেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে। তিনি অভিযোগ করেন, কেন্দ্রের পাশাপাশি মহারাষ্ট্র, বিহার ও উত্তর প্রদেশের বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকারও ‘ভোট চুরি’র মাধ্যমে ক্ষমতায় এসেছে।

খাড়গে বলেন, তাদের ভোট কে দেয়? তারা নিজেরাই নিজেদের নির্বাচিত করে! জনগণ তাদের নির্বাচিত করে না। বর্তমান কেন্দ্রীয় সরকার এবং মহারাষ্ট্র, বিহার ও উত্তর প্রদেশের সরকার—সবই ভোট চুরির সরকার। এই চোরদের সরাতে হবে।

তিনি আরও বলেন, মোদী ক্ষমতা থেকে না সরলে গণতন্ত্র টিকে থাকবে না।

নিউজটি শেয়ার করুন:
add 1


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

এক ক্লিকে জেলার খবর