• আজ- লোড হচ্ছে...
শিরোনাম >>
এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ ২০২৬ শুরু, মাঠে গড়াল শিরোপার লড়াই বল্লী ইউপিতে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন দিদারুল আলম আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে ৬১৪ জনের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ সৌদি আরবে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত ফ্লাইট স্থগিত করল বিমান তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই আগামী নির্বাচন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পুলিশের ঊর্ধ্বতন তিন কর্মকর্তাকে বদলি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা, আবহাওয়া অধিদপ্তর নেত্রকোনায় সাংবাদিককে গুলি করে হত্যার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানবন্ধন বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হচ্ছে ‘শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ আশরাফুলকে সরিয়ে দিল বিসিবি, নতুন দায়িত্বে সালাহ উদ্দিন

আত্মরক্ষার জন্যই লাইসেন্স করা অস্ত্র হাতে নিয়েছিলাম: ইশরাক হোসেন

নিউজ ডেস্ক / ১২ বার দেখেছে
প্রকাশিত: ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৬:৪৯  |  আপডেট: ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৬:৪৯

মাদকবিরোধী অভিযানে অস্ত্র হাতে নিয়ে আলোচনার জন্ম দেওয়া প্রসঙ্গে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন দাবি করেছেন, তিনি কেবল নিজের আত্মরক্ষার জন্যই লাইসেন্স করা আগ্নেয়াস্ত্র বের করেছিলেন।

তিনি বলেন, ‘আজকের দিন হতে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে স্বেচ্ছায় অব্যাহতি চেয়েছি প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে। তিনি সেই সুযোগ দিয়েছেন।’

সোমবার (১৯ অক্টোবর) জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। এ সময় ইশরাক হোসেন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, মাদকবিরোধী যুদ্ধ শুরু করেছো, চালিয়ে যাও।’

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে স্বেচ্ছায় অব্যাহতি চেয়েছেন ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন বলেন, ‘আমার কারণে প্রধানমন্ত্রীর কর্মকান্ড কিংবা দল যেন বিব্রত না হয়, সেজন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে পদত্যাগের ইচ্ছা পোষণ করি।’

ইশরাক বলেন, ‘আমার দ্বারা কোনও ভুল হয়ে থাকলে, কাউকে আঘাত দিলে আমি দুঃখ প্রকাশ করছি। কিন্তু দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি আমি কোনও ভুল করিনি। শুধু নিজের নিরাপত্তার জন্য কিছু সময় ব্যক্তিগত অস্ত্র হাতে রেখেছিলাম।’

তিনি বলেন, ‘আমি জমি দখল বা চাঁদা তুলতে যাই নাই, মাদক নির্মূলের জন্য গিয়েছিলাম। আন্তর্জাতিক সিন্ডিকেটের সঙ্গে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রকদের যোগসাজশ আছে।’

ইশরাক হোসেন বলেন, ‘পুলিশ বাহিনী যেহেতু ইকুইপ্ট নয়; সুতরাং পুলিশ ও এলাকাবাসীদের সঙ্গে নিয়ে মাদক নির্মূলে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। থানাকে জানিয়ে ঘুণ্টিঘর এলাকায় মাদক নির্মূলের অভিযানে গিয়েছিলাম। ব্যক্তিগত নিরাপত্তার স্বার্থে আমি ব্যক্তিগত লাইসেন্স করা অস্ত্র হাতে রেখেছিলাম।’

তিনি আরও বলেন, ‘পুলিশ বাহিনী ঘুণ্টিঘর এলাকায় যেতে সাহস পান না, কারণ ওরা ওপর থেকে গুলি করে। গেন্ডারিয়ার ঘুণ্টিঘর এলাকায় স্কুল কলেজে শিক্ষার্থীদের মাঝে মাদক ঢুকিয়ে দেওয়া হচ্ছিল। এলাকাবাসীর অভিযোগের ভিত্তিতে মাদকের হাব ধ্বংস করতে গিয়েছিলাম।’

ইশরাক বলেন, ‘মাদক ব্যবসায়ীদের হাতে অর্থ ও অস্ত্র থাকায় স্থানীয় বাসিন্দারা মুখ খোলে না। মাদকের কুখ্যাত আখরা ঘুণ্টিঘর মুন্সিরটেক এলাকা মাদকের আখরা। মাদক নির্মূলের লক্ষ্যে করা অভিযানের দৃষ্টি নানা ধরনের ন্যারেটিভ তৈরি করে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন:
add 1


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

এক ক্লিকে জেলার খবর