• আজ- লোড হচ্ছে...

দ. আফ্রিকার নাগরিকদের ভিসায় বিধিনিষেধ যুক্তরাষ্ট্রের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক / ০ বার ভিজিট
আপডেট: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

দক্ষিণ আফ্রিকার নাগরিকদের জন্য নতুন ভিসা বিধিনিষেধ ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির সরকারের বর্ণভিত্তিক বৈষম্যমূলক নীতির অভিযোগ তুলে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দক্ষিণ আফ্রিকার নেতাদের নিয়মিত সমালোচনা করার পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হলো। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র। ট্রাম্প দক্ষিণ আফ্রিকার ভূমি ও কর্মসংস্থান সংক্রান্ত আইনগুলোর কঠোর সমালোচনা করে আসছেন। এসব আইনের উদ্দেশ্য হলো, বর্ণবাদী শাসনের অবসানের প্রায় ৩০ বছর পরও দেশটিতে কৃষ্ণাঙ্গ জনগোষ্ঠীর মধ্যে বিদ্যমান ব্যাপক অর্থনৈতিক ও সামাজিক বৈষম্য কমানো। ২০২৫ সালে হোয়াইট হাউসে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসার সঙ্গে বৈঠকের সময় ট্রাম্প দেশটিতে ‘শ্বেতাঙ্গ গণহত্যা’ চলছে— এমন একটি দাবি সামনে আনেন। তবে তার এই দাবি ব্যাপকভাবে ভিত্তিহীন ও অসত্য হিসেবে প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। এর পাশাপাশি দক্ষিণ আফ্রিকার ওপর উচ্চহারে শুল্ক আরোপ করেছে ট্রাম্প প্রশাসন এবং জোহানেসবার্গে অনুষ্ঠিত জি২০ সম্মেলনও বর্জন করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, দক্ষিণ আফ্রিকার জনগণ এমন একটি সরকারের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, যে সরকার আফ্রিকানার সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে জাতিগত বিদ্বেষমূলক নীতির পেছনে অতিরিক্ত গুরুত্ব দিতে গিয়ে দেশের অর্থনীতিকে ধ্বংস করছে।’ রুবিও জানান, নতুন ভিসা বিধিনিষেধ তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োগ করা হবে, যারা দক্ষিণ আফ্রিকায় ‘বর্ণভিত্তিক বৈষম্যকে উৎসাহিত করে, সহিংসতায় উসকানি দেয় অথবা ক্ষতিপূরণ ছাড়াই জমি অধিগ্রহণে সহায়তা করে।’ ট্রাম্প গত বছর ক্ষমতায় আসার পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ আফ্রিকার সম্পর্কের অবনতি হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসন দক্ষিণ আফ্রিকার জন্য মার্কিন সহায়তা কমিয়েছে, দেশটির রাষ্ট্রদূতকে বহিষ্কার করেছে এবং ‘নির্যাতনের’ শিকার হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয় নিতে চাওয়া শ্বেতাঙ্গ দক্ষিণ আফ্রিকানদের জন্য বিশেষ সুযোগ দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে সামগ্রিকভাবে কঠোর অবস্থান নিলেও আফ্রিকানার নামে পরিচিত শ্বেতাঙ্গ দক্ষিণ আফ্রিকানদের যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসের সুযোগ দিতে একটি বিশেষ কর্মসূচি চালু করেছেন। এর আওতায় ইতোমধ্যেই হাজার হাজার আফ্রিকানার যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসের অনুমতি পেয়েছেন। এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক ধরে রাখতে গত মাসে দক্ষিণ আফ্রিকা একটি নতুন ও ‘উদার’ বাণিজ্য চুক্তির প্রস্তাব দেওয়ার কথা জানিয়েছে।দেশটি আশঙ্কা করছে, যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চহারে শুল্ক আরোপের কারণে কর্মসংস্থান কমে যেতে পারে। দক্ষিণ আফ্রিকায় এমনিতেই বেকারত্বের হার অত্যন্ত বেশি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

এক ক্লিকে জেলার খবর