• আজ- লোড হচ্ছে...
শিরোনাম >>
ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২৫ শুরু: ওয়ালটন ফ্রিজ কিনে ঘরভর্তি পণ্য ফ্রি পেলেন পুলিশ চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে মামলা করতে পারবে: আইজিপি যেভাবে সময় কাটে ‘লাগে উড়াধুরা’ গায়িকা অন্তরার তালায় গোবরের গর্তের পানিতে পড়ে দুই বছরের শিশুর মৃত্যু ঘোড়ার মাংস গরুর মাংস হিসেবে বিক্রি! এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ: ক্রিকেট ও ফুটবলে কোন দিন কোন দলের খেলা? ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রস্তুতি ম্যাচে প্রশংসিত আনভীর স্টেডিয়াম এসিল্যান্ডের রহস্যময় ফেসবুক পোস্ট, ইউএনও বললেন ‘মানসিকভাবে অসুস্থ’ প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর ঘিরে, ফ্লাইট দ্বিগুণ, সব টিকিট শেষ তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মিজানুর রহমানের অপসারণের দাবিমানববন্ধন

৫০৬ কোটি টাকার বিদ্যুৎ বিল,মন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশ,একজন বরখাস্ত

নজর ডট কম / ২১ বার দেখেছে
প্রকাশিত: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১:০২  |  আপডেট: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১:০৪

মাগুরায় ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিপরীতে গ্রাহকের নামে ৫০৬ কোটি ৮৩ লাখ ১১ হাজার ৫৯৩ টাকার বিল দেওয়ার ঘটনায় মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আড়পাড়া জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজারসহ (ডিজিএম) চারজনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

একই ঘটনায় মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) মো. মহিতুল ইসলামকে সাময়িক বরখাস্ত করে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের যশোর কার্যালয়ের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর অধীনে সংযুক্ত করা হয়েছে।

এদিকে, অস্বাভাবিক এই বিলের ঘটনায় গ্রাহক মোছা. আলেয়া খাতুনের সঙ্গে ফোনে কথা বলে দুঃখ প্রকাশ করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
বিভিন্ন গণমাধ্যমে এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশের পর বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। পরে কর্তৃপক্ষ বিলটি সংশোধন করে গ্রাহককে নতুন বিল দেয়। মঙ্গলবার গ্রাহক সংশোধিত বিল পরিশোধ করেছেন।

শোকজ পাওয়া কর্মকর্তা-কর্মচারীরা হলেন-আড়পাড়া জোনাল অফিসের ডিজিএম মো. রেজাউল করিম, বিলিং সুপারভাইজার সীমা রানী, বিলিং সহকারী সুমা রানী ঘোষ এবং মিটার রিডার কাম ম্যাসেঞ্জার তোরাব আলী। তাদের আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে নোটিশের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

মাগুরা সদর উপজেলার কেচুয়াডুবি গ্রামের বাসিন্দা মোছা. আলেয়া খাতুনের নামে সেপ্টেম্বর মাসের ওই বিলটি ইস্যু করা হয়। বিলের তথ্য অনুযায়ী, ৮ সেপ্টেম্বর মিটারের বর্তমান রিডিং ছিল ৩৯৫ এবং ৮ আগস্টের পূর্ববর্তী রিডিং ছিল ১৬০। অর্থাৎ এক মাসে গ্রাহকের বিদ্যুৎ ব্যবহার হয়েছে ২৩৫ ইউনিট। কিন্তু এর বিপরীতে স্বাভাবিক বিলের পাশাপাশি ডিমান্ড চার্জ হিসেবে দেখানো হয় ৪৮২ কোটি ৬৯ লাখ ৬৩ হাজার ৪২২ টাকা। এর সঙ্গে ২৪ কোটি ১৩ লাখ ৪৮ হাজার ১৭১ টাকা ভ্যাট এবং ১০ টাকা মিটার ভাড়া যোগ করে মোট বিল দাঁড়ায় ৫০৬ কোটি ৮৩ লাখ ১১ হাজার ৫৯৩ টাকা। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিল পরিশোধ না করলে বিলম্ব মাশুলসহ ওই বিল বেড়ে ৫৩০ কোটি ৯৬ লাখ ৫৯ হাজার ৭৬৪ টাকা হওয়ার কথাও বিলে উল্লেখ ছিল।

অথচ ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের প্রকৃত বিল হওয়ার কথা ছিল মাত্র ১ হাজার ৯৬৩ টাকা। বিলম্ব মাশুলসহ যার পরিমাণ দাঁড়াত ২ হাজার ৫৬ টাকা। অস্বাভাবিক এই বিল দেখে হতবাক হয়ে যান গ্রাহক ও তার পরিবারের সদস্যরা। পরে বিলের কপি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তাদের নজরে আসে। এরপর দ্রুত বিলটি সংশোধন করা হয়।

গ্রাহক মোছা. আলেয়া খাতুন বলেন, ‘বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু সাহেব ফোনে কথা বলে দুঃখ প্রকাশ করেছেন। আমিও দুঃখ প্রকাশ করেছি এই অনাকাঙ্খিত ঘটনার জন্য।’

মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আড়পাড়া জোনাল অফিসের ডিজিএম মো. রেজাউল করিম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘গ্রাহকের মিটার পরিবর্তনের কারণে ভুলবশত মিটারের সিল নম্বরের ডিজিটগুলো ডিমান্ড চার্জের ঘরে পেস্টিং হয়ে যাওয়ায় এই অস্বাভাবিক বিলটি তৈরি হয়েছে। পরে বিলটি সংশোধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার গ্রাহক সংশোধিত বিল পরিশোধ করেছেন।’

মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার মো. মহিতুল ইসলাম এ ধরনের বড় ভুলের কারণে সংশ্লিষ্ট ডিজিএম, বিলিং সুপারভাইজার, বিলিং সহকারী ও মিটার রিডারকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে এবং এ ঘটনায় তাকেও সাময়িক বরখাস্ত করে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের যশোর কার্যালয়ের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর অধীনে সংযুক্ত করা হয়েছে বলে জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন:
add 1


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

এক ক্লিকে জেলার খবর