• আজ- লোড হচ্ছে...
শিরোনাম >>
জাপান-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব হবে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি: প্রধানমন্ত্রী প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়েছে ‘অর্ণব’ সরকারি খাল খননের ২ মাস পরে দখলের অভিযোগ, বোরো আবাদ নিয়ে শঙ্কা ‘আম্মাকে মা’ ও ‘জলকে পানি’ বলা যাবে না: শুভেন্দু অধিকারীর হুঁশিয়ারি “ক্রসফায়ার” নিয়ে আইজিপির বক্তব্য সম্পর্কে: পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের ব্যাখ্যা অটিজমে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সম্মানসূচক ডক্টরেট পেলেন ইয়াশা সোবহান তরুণ ফুটবলারদের মিলনমেলায় শুরু এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ সাতক্ষীরায় গণঅধিকার পরিষদের পঞ্চম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত সাতক্ষীরায় মা ও মেয়েকে হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড সাতক্ষীরায় বস্তিবাসীকে পরিকল্পিত আবাসনের আওতায় আনার দাবি

সরকারি খাল খননের ২ মাস পরে দখলের অভিযোগ, বোরো আবাদ নিয়ে শঙ্কা

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৪ বার দেখেছে
প্রকাশিত: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪৩  |  আপডেট: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০৫

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে প্রায় ৭৪ লাখ টাকা ব্যয়ে পুনঃখনন করা সরকারি খালের সুফল মিলছে না। খননের মাত্র দুই মাসের মাথায় নেট-পাটা দিয়ে খালটি দখল করে মাছ চাষের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে।

এতে গ্রামের একমাত্র পানির উৎসটি ব্যবহার করতে না পেরে বিপাকে পড়েছেন এলাকাবাসী। ফলে দুই হাজার বিঘারও বেশি জমিতে বোরো চাষ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন তারা।

স্থানীয়রা জানান, খাবার পানির চাহিদা পূরণ ও কৃষিকাজের সুবিধার্থে ৭৪ লাখ টাকা ব্যয়ে ২ দশমিক ২ কিলোমিটার দীর্ঘ জেলিয়াখালী সরকারি খাল পুনঃখনন করে একটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা। কিন্তু, খননের দুই মাস না যেতেই তৈরি হয়েছে নতুন সংকট।

খাল পাড়ের বাসিন্দা স্থানীয় কৃষক সুকুমার অভিযোগ করেছেন, জেলিয়ালী সরকারি খালের বিভিন্ন স্থানে নেট-পাটা ও বাঁশের বাঁধ দিয়ে সাতটি ভাগে ভাগ করে কৃত্রিমভাবে মাছ চাষ শুরু করেছে স্থানীয় কয়েকজন প্রভাবশালী। জনস্বার্থে খনন করা খালের পানি ব্যবহার করতে না পারায় এর প্রভাব পড়েছে স্থানীয় কৃষিতে।

অপর বাসিন্দা জয়ন্ত সরকার জানান, সেচের পানি সংকটে খালের দুই পাড়ের প্রায় দুই হাজার বিঘারও বেশি জমিতে বোরো চাষ নিয়ে দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা।

স্থানীয় মৎস্যজীবী জয়ন্ত সরকার ও মৃত্যুঞ্জয় বিশ্বাস জানান, খালটি দখল হওয়ার কারণে তারা জীবিকা নির্বাহ করতে পারছি না। দ্রুত খালটি উন্মুক্ত করার জন্য প্রশাসনের কাছে দাবি জানান তারা।

খাল দখলে নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত ইছাক আলীসহ অন্যরা। তাদের দাবি, এতে তাদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

শ্যামনগরের বে-সরকারি উন্নয়ন সংস্থা সিএনআরএস-এর সাইড অফিসার তৌহিদ হাসান জানান, জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের যথাযথ অনুমতি নিয়েই খালটি খনন করা হয়েছিল ঐতিহ্যবাহী জেলিয়াখালী সরকারি খাল।

স্থানীয়দের খাবার পানির চাহিদা পূরণ ও কৃষিকাজের সুবিধার্থে ৭৪ লাখ টাকা ব্যয়ে ২ দশমিক ২ কিলোমিটার দীর্ঘ এই খালটি পুনঃখনন করা হয়। খননের পর থেকে খালটি দখলে চলে গেছে। একমাত্র পানির উৎসটি ব্যবহার করতে না পেরে বিপাকে পড়েছেন এলাকাবাসী।

সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক (ডিসি) মিজ কাউসার আজিজ জানান, খালটিকে উন্মুক্ত ও অবৈধ দখলমুক্ত করতে স্থানীয় উপজেলা প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রভাবশালীদের নেট-পাটার বাঁধ উচ্ছেদ করে খালটি উদ্ধার করে সাধারণ মানুষ ও কৃষকদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হোক— এমনটাই দাবি স্থানীয়দের।

নিউজটি শেয়ার করুন:
add 1


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

এক ক্লিকে জেলার খবর